কুড়িগ্রাম জেলায় বাল্যবিয়ের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ১০ হাজার ৩৭১ জন ও অধিক ঝুঁকিপূর্ণ তিন হাজার চারজন শিশু চিহ্নিত করা হয়েছে। বাল্যবিয়ের এ ঝুঁকি কমাতে শিশুর পরিবার, কাজী, ইমাম ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কাজ চলছে।

সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুড়িগ্রামে জেলা বাল্যবিয়ে নিরোধ কমিটির আয়োজনে বিবিজিএফ প্রকল্পের মধ্যবর্তী মূল্যায়নের পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিতকরণ সভায় এতথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

কুড়িগ্রাম কালেক্টরেট সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক মোছা. সুলতানা পারভীনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন- অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. হাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জিলুফা সুলতানা, আরডিআরএস বাংলাদেশ রংপুর অফিসের ডিরেক্টর ফিল্ড (অপারেশন) হুমায়ুন খালেদ, প্লান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের ডিভিশনাল ম্যানেজার আশীষ কুমার বকসী, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের কনসালটেন্ট ড. রশিদ আহমেদ, সাংবাদিক সফি খান প্রমুখ।

সভায় জানানো হয়, প্রকল্প থেকে সার্ভের মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেলায় বাল্যবিয়ের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ১০ হাজার ৩৭১ জন ও অধিক ঝুঁকিপূর্ণ তিন হাজার চারজন শিশু চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব শিশুর পরিবার, কাজী, ইমাম ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে বাল্যবিয়ে নিরোধে ‘বিল্ডিং বেটার ফিউচার ফর গার্লস (বিবিএফজি)’ প্রকল্প কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

অ্যাম্বাসি অব সুইডেনের অর্থায়নে প্লান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কারিগরি সহযোগিতায় কুড়িগ্রাম আরডিআরএস বিল্ডিং বেটার ফিউচার ফর গার্লস প্রকল্পের মাধ্যমে কুড়িগ্রামে ৭৩টি ইউনিয়ন ও তিনটি পৌরসভায় কাজ করছে। তারা পাঁচ বছরের প্রকল্পের মাধ্যমে ১৫ বছরের নিচের শিশুদের বাল্যবিয়ে শূন্যের কোটায় এবং ১৮ বছরের নিচে শিশুদের বাল্যবিয়ে এক তৃতীয়াংশ কমিয়ে আনার জন্য কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের মধ্যবর্তী মূল্যায়নের জন্য কনসালটেশন টিম জেলা বাল্যবিয়ে নিরোধ কমিটির সঙ্গে মূল্যায়নের পদ্ধতি সম্পর্কে পেপার উপস্থাপন করেন।