বুধবার , নভেম্বর ৩০ ২০২২
Home / খেলা-ধুলা / দিল্লিতে টাইগারদের দাপুটে জয় **

দিল্লিতে টাইগারদের দাপুটে জয় **

দিল্লির অক্সিজেনে বিষ ঢুকে গেছে! গলার কাছে নিশ্বাস আটকে যায়। তবে ভারতের বিপক্ষে সাকিব-তামিম না থাকলেও টাইগাদের বিশ্বাস আটকায়নি। টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ে নেমে বাংলাদেশের বোলাররা ভারতের ব্যাটসম্যানদের নিশ্বাস চেপে ধরে। পরে ব্যাটে নেমে মুশফিক-সৌম্যর দারুণ ব্যাটিংয়ে তিন বল থাকতে ৭ উইকেটের বড় জয় তুলে নেয় টাইগাররা। অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহর ছক্কায় শেষ হাসি হাসে বাংলাদেশ। সাকিব-তামিম ছাড়াই দিল্লি জয় করে টাইগাররা। টি-২০ ক্রিকেটে ভারতের বিপক্ষে তুলে নেয় প্রথম জয়।

প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে ব্যাঙ্গালুরুয় টি-২০ বিশ্বকাপের সেই ম্যাচের সঙ্গে এই ম্যাচের অনেক মিল। সেবার বাংলাদেশ হেরেছিল মাত্র এক রানে। মুশফিক-মাহমুদুল্লাহ জয়ের প্রান্তে গিয়েও ম্যাচ বের করতে পারেননি। এবার তাদের হাত ধরেই ভারতের মাটিতে টাইগাররা তুলে নিল প্রথম জয়। সেবার ভারত শুরুতে ব্যাট করে তুলেছিল ১৪৬ রান। এবার তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৪৮।

দিল্লির ফিরোজ শাহ কোটলায় প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শেখর ধাওয়ানের ৪২ বলে ৪১ রান এবং শ্রেয়াসের আয়ারের ২২ ও ঋষভ পান্তের ২৭ রানে ভর করে দেড়শ’ ছোঁয়া লক্ষ্য দেয় ভারত। লক্ষ্যটা আরও ছোট পেতে পারত বাংলাদেশ। তবে শেষ দিকে ওয়াশিংটন সুন্দর এবং ক্রুনাল পান্ডিয়া গুরুত্বপূর্ণ ২৮ রান যোগ করেন। সুন্দর করেন ১৪, ক্রুনাল খেলেন ১৫ রানের ইনিংস।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। সাকিব-তামিম না থাকায় টপ অর্ডারে টাইগারদের বড় ভরসা ছিলেন লিটন দাস। প্রথম ওভারেই তিনি ফিরে যান। সেখান থেকে ২০ বছরের তরুণ নাঈম শেখ ও সৌম্য সরকার ৪৬ রান যোগ করেন। অভিষেক ম্যাচে ওপেনার নাঈম ২৬ রান করে আউট হন। এরপর সৌম্য এবং মুশফিক ৬০ রানের দারুণ এক জুটি গড়েন। সৌম্য ফিরে যান ৩৯ রান করে। তখনও ম্যাচ দুলছে।

শেষ তিন ওভারে ৩৫ রান দরকার ছিল বাংলাদেশ। ১৭তম ওভারের শেষ বলে সেট ব্যাটসম্যান সৌম্য আউট হয়েছেন। কিন্তু সাহসে ঘা লাগেনি টাইগারদের। মাহমুদুল্লাহ এবং মুশফিক দারুণভাবে পাড়ি দেন বাকিটা পথ। মুশফিক খেলেন ৪৩ বলে ৬০ রানের দারুণ ইনিংস। আটটি চার এবং একটি ছক্কা মারেন। বাংলাদেশ ১৮তম ওভারে ১৩ এবং ১৯তম ওভারে ১৮ রান নিয়ে ভারতের হাত থেকে ম্যাচ বের করে নেয়। দলের হয়ে শেষ দিকে ৭ বলে ১৫ রান করেন মাহমুদুল্লাহ।

বাংলাদেশের হয়ে দুই তরুণ স্পিনার আমিনুল ইসলাম এবং আফিফ হোসেন দারুণ বোলিং করেন। আমিনুল ৩ ওভারে ২২ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। আফিফ ৩ ওভারে দেন মাত্র ১১ রান। নেন ১ উইকেট। এছাড়া শফিউল ইসলাম ৪ ওভারে ৩৬ রান দিয়ে ২ উইকেট দখল করেন। আল আমিন ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে উইকেট শূন্য থাকেন। প্রথম তিন ওভারে তিনি মাত্র ১১ রান দেন। তবে নিজের এবং ইনিংসের শেষ ওভারে দিয়ে বসেন ১৬ রান এই পেসার।

About admin

Check Also

আফগান ৩ স্পিনারকে ভয় পাচ্ছে না বাংলাদেশ

ভারত-বাংলাদেশসহ উপমহাদেশের কন্ডিশনে স্পিনাররা একটু বাড়তি সুবিধাই পেয়ে থাকেন। যে সুবিধা কাজে লাগিয়ে বিগত বছরগুলোতে …

কোভিড আক্রান্ত ইন্টার মিলান কোচ ইনজাগি

কোভিড পজিটিভ হয়েছেন ইন্টার মিলানের কোচ সিমোনে ইনজাগি। ইতালিয়ান সিরি-এ ক্লাব সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত …

১০০ রানে অলআউট ঢাকা

সিলেট সানরাইজার্সের বাঁ-হাতি স্পিনার নাজমুল ইসলামের স্পিন বিষে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *