বুধবার , মে ১৮ ২০২২
Home / সারা দেশ / চিলমারীতে প্রকাশ্যে সাংবাদিকের বাড়ি-ঘর জ্বালিয়ে দেওয়া সহ প্রাণনাশের হুমকী নিরাপত্তাহীনতায় সাংবাদিকের পরিবার

চিলমারীতে প্রকাশ্যে সাংবাদিকের বাড়ি-ঘর জ্বালিয়ে দেওয়া সহ প্রাণনাশের হুমকী নিরাপত্তাহীনতায় সাংবাদিকের পরিবার

নাজমুল হুদা পারভেজ,বিশেষ প্রতিনিধিঃ
একটি কবরস্থান সহ জনগনের যাতায়তের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির লক্ষ্যে উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে রাস্তার
মালিককে কিছু টাকা অগ্রিম দিয়ে শত বছরের পুরাতন মানুষ চলাচলের রাস্তায় ঘর তুলে চলাচলের পথ বন্ধ করে দেওয়ার প্রতিবাদ জানানোর করাণে কুড়িগ্রােেমর চিলমারীতে প্রবীণ সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও লেখক নাজমুল হুদা পারভেজের জীবণনাশ সহ বাড়ি-ঘর, মটর সাইকেল প্রকাশ্যে গ্রামবাসীর সামনে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি প্রদান করা হয়েছে। এ ব্যাপারে উক্ত সাংবাদিক চিলমারী মডেল থানায় একটি সাধারণ ডাইরী করলেও অদ্যাবধী প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন দৃশ্যমান ভুমিকা না থাকায় উক্ত সাংবাদিক ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে।

প্রকাশ, উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের বনবিভাগ এলাকায় উক্ত সাংবাদিকের বাসার সামনের সরকারী পাকা রাস্তা থেকে একটি মাটির রাস্তা পশ্চিম দিকে হেলিপ্যাড সংলগ্ন বিলে গিয়ে ঠেকেছে। প্রায় শত বছরের এই রাস্তাটি প্রায় ৩০০ ফিট লম্বা ও তিন শতক পরিমান জমি নিয়ে তার প্রশস্ততা। এই রাস্তাটির জমির প্রকৃত মালিক মৃত গরীবুল্লাহ, গ্রাম-ডাওয়াইটারী (ছড়ার পাড়), থানাহাট,চিলমারী। তিনি তার জীবদ্দশায় হেলিপ্যাড সংলগ্ন বিলে তার নিজের আবাদী জমিতে যাতায়াতের জন্য এই রাস্তাটি তৈরী করেন। প্রায় শত বছরের এই পুরাতন রাস্তাটি দিয়ে উক্ত বিলে আবাদী জমির অন্যান্য কৃষকরা তাদের জমিতে ধান আবাদ করেন এবং ধান পাকলে কেটে আনার জন্য উক্ত রাস্তাটি ব্যবহার করে আসছেন। কিছুদিন পূর্বে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গনের শিকার কিছু পরিবার উক্ত রাস্তার দু পাশের ব্যক্তিমালিকাধীন জমি ক্রয় করে বসবাসের জন্য বাড়ি করলেও রাস্তাটি অক্ষতই ছিল। এই ধারাবাহিকতায় নদী ভাঙ্গা মৃত আব্দুল জব্বার রাস্তাটির পশ্চিম পাশের শেষ অংশে রাস্তাটির প্রকৃত মালিক মৃত গরীবুল্লাহর দুই পুত্র মোঃ লাল মিঞা ( সাবেক থানাহাট ইউপি সদস্য) ও তার ছোট ভাই মোঃ ফুল মিঞা পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া তাদের ভাগের অংশ মৃত আব্দুল জব্বারের নিকট বিক্রি করে দেন। জমি দলিল করার সময় জমি ক্রেতা ও তার ছেলেরা কৌশলে তিন শতক রাস্তার দেড় শতক অংশ বিক্রেতাদের নিকট থেকে দলিল করে নিলেও উক্ত রাস্তার তিন শতক অংশের মুল মালিক পৈত্রিক সূত্রে মৃত গরীবুল্লাহর মেয়েরা মর্মে থানাহাট তহশীল অফিস সূত্রে জানাগেছে । উক্ত রাস্তাটির শেষাংশে বনবিভাগ এর
সীমানা প্রাচীর ঘেঁষে সেখানে একটি কবরস্থান আছে। সম্প্রতি রাস্তাটির বাকী দেড় শতক জমি ক্রয়ের জন্য মৃত জব্বার আলীর পুত্ররা অস্বাভাবিক মূল্যে টাকা প্রদানের প্রলোভন দেখিয়ে রাস্তার বাকী দেড় শতক অংশটুকু কিনে নেয়ার পাঁয়তারা চালায়। রাস্তাটির বাকী দেড় শতক জমির মূল্য ৫ লক্ষ টাকা দেয়ার শর্তে ৩০০ টাকা মূলের ডেমীতে বিক্রেতার নিকট প্রায় ৭০ হাজার টাকা অগ্রীম প্রদান করে বিক্রর বায়নাও করে মর্মে জানাগেছে।

উল্লেখ্য উক্ত এলাকার জমির প্রচলিত মূল্য ৬০ থেকে ৭৫ হাজার টাকা শতক। ডেমীতে লিখে নিয়ে দলিল সম্পন্ন না করেই ক্রেতা পক্ষ রাস্তাটির মাঝামাঝি একটি টিনের ঘর তুলে এবং সেখানে টিনের বেড়া দিয়ে সামান্য একটু জায়গা ফাঁকা রাখে যাতে একটি মানুষ কোন রকমে যাতায়াত করতে পারে।
বর্তমানে সেটুকু রাস্তা দিয়ে মৃত মানুষকে কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া কিংবা কৃষকরা ধান কেটে সে পথ দিয়ে
নিয়ে আসতে পারছে না। এই পরিস্থিতিতে গত ০৬-০৯-২০২০ ইং সাংবাদিক নাজমুল হুদা পারভেজ ও একই এলাকার বাসিন্দা , বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ চিলমারী উপজেলা শাখার শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আব্দুর রহিম মন্ডল যৌথ ভাবে চিলমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে মাধ্যম করে জেলা প্রশাসক বরাবরে রাস্তাটি যাতে ক্রয়- বিক্রয় হয়ে চিরদিনের মত বন্ধ না হয় এবং পূর্ববস্থায় জনসাধারনের জন্য উন্মুক্ত থাকে এই মর্মে একটি আবেদন করেন। এতে জমি ক্রয়কারী মৃত আব্দুল জব্বারের চারপুত্র মকবুল হোসেন, মোকলেছুর, মোনাফ আলী,মোকছেদ ও নাতি মাসুম বিল্লাহ ও মোশারফ হোসেন মুরাদ সাংবাদিক নাজমুল হুদা পারভেজের উপর মনে মনে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। গত ১৩-১১-২০২০ ইং তারিখ শুক্রবার, সাংবাদিক পারভেজ বনবিভাগ জামে মসজিদে জুম্মার নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বেড়িয়ে নিজ বাসায় ফেরার পথে রাস্তাটির জমি ক্রেতা পিলখানা হত্যা মামলার সাজা প্রাপ্ত আসামী বিডিঅর মকবুল হোসেনের দুই ছেলে মোশারফ হোসেন মুরাদ ও মাসুম বিল্লাহ তাদের বাবা মোকবুল হোসেন, চাচা মোখলেছুর রহমান, মোন্নাফ আলী ও মোকছেদ হোসেন ও মা-চাচীদের কে সাথে নিয়ে পারভেজের বাসার গেটের সামনে এসে চিৎকার করে গালিগালাজ করতে থাকে।

এ সময় তাদের চিৎকার শুনে সাংবাদিক পারভেজও তার নিজ বাড়ি থেকে বেড়িয়ে এলে মাসুম বিল্লাহ ও তার ভাই মোশারফ হোসেন মুরাদসহ সঙ্গীয় বাবা ও চাচা- চাচিরা সাংবাদিক নাজমুল হুদা পারভেজের প্রাণ নাশের হুমকিসহ তার বাড়ি- ঘর ও মোটর সাইকেল আগুনে পুড়িয়ে দেবে বলে, উপস্থিত গ্রামবাসীর সামনেই তাকে প্রকাশ্যে হুমকি প্রদান করে। পরে গ্রামবাসীরা তাদেরকে সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় সাংবাদিক নাজমুল হুদা পারভেজ চিলমারী মডেল থানায় উক্ত দুই ভাইসহ মোট ৬ জনের বিরুদ্ধে একটি সাধারন ডাইরী করেন। ডাইরী নং-৪৫৬, তাং ১৩-১১-২০২০ইং। নাজমুল হুদা পারভেজ পেশায় চিলমারী মহিলা ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক এবং দৈনিক সমকালের চিলমারী প্রতিনিধি , বাংলাদেশ বেতার ,রংপুর কেন্দ্রর চিলমারী ও উলিপুর সংবাদদাতা, তিনি চিলমারী শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক, চিলমারী থানা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সেক্রেটারী, এবং বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন চিলমারী শাখার সভাপতি সহ বিভিন্ন সংগঠনের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করছেন।

সাংবাদিক পারভেজের প্রাণনাশের হুমকীর বিষয়টি স্থানীয় সাংবাদিকগণ জানতে পেরে চিলমারী প্রেস ক্লাব, প্রেসক্লাব চিলমারীসহ চিলমারীর সকল সাংবাদিকগণ সিনিয়র সাংবাদিক নাজমুল হুদা পারভেজকে হত্যা ও বাড়ি, গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার প্রতিবাদ জানিয়ে গত নভেম্বর মাসের উপজেলা পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত মাসিক আইন -শৃঙ্খলা কমিটির সভায় হুমকীদাতাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।া পেরে স্থানীয় সাংবাদিক নের্তৃবৃন্দরা

চিলমারী থানার ওসি আমিনুল ইসলামের সাথে একাধিক বার থানায় গিয়ে যোগাযোগ করেন এবং দ্রুত তদন্ত শেষ করে সাংবাদিক নাজমুল হুদা পারভেজ সগ তার পরিবারের নিরাপত্তার লক্ষে সাধারণ ডাইরী টিকে এনজিআর মামলায় রুপান্তরিত করে সাংবাদিক ও তার পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানালে । ওসি আমিনুল ইসলাম তাদেরকে বলেন তদন্ত স্বাপেক্ষে ডাইরিীটিকে এনজিআর মামলায় রুপান্তরিত করা হবে। কিন্ত শেষ পর্যন্ত অজ্ঞাত কারণে সাধারণ ডাইরীর সত্যতা থাকা স্বত্বেও ডাইরীটিকে এনজিআর না করে দায়সারা তদন্ত করে এনএফআইআর এর প্রতিবেদন তৈরী করে কোর্টে পাঠিয়ে দেয় হয়।
উল্লেখ্য সাংবাদিক পারভেজের প্রাণনাশ সহ বাড়ি-গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকীদাতা ১ নং আসামী মোঃ মোশারফ হোসেন মুরাদ ও ২ নং আসামী মোঃ মাসুম বিল্লাহর পিতা মোঃ মকবুল হোসেন পিলখানা হত্যাকান্ডের সাজাপ্রাপ্ত একজন আসামী।সাজাপ্রাপ্ত বিডিআর মকবুল হোসেন একজন সিপাহী ছিলেন। ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গনে জমাজমি- ভিটেমাটি সব হারিয়ে চিলমারী উপজেলার ডাওয়াইটারী বন বিভাগ সংলগ্ন এলাকায় এসে সামান্য জমি কিনে সেই জমিতে টিনের ঘর তুলে বসবাস শুরু করেন। তার আদি বাড়ি ছিল উপজেলার রাজার ভিটায়। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় চিলমারীতে রাজাকারদের সব থেকে বড় ক্যাম্প ছিল রাজারভিটা মাদ্রাসায় ।
অনুসন্ধানে জানাগেছে, তার বংশের অনেকেই স্বাধীনতা বিরোধী এবং রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিল। পিলখানা
হত্যা কান্ডের পূর্বেই তার দুই ছেলে মাসুম বিল্লাহ ও মোশারফ হোসেন মুরাদ ঢাকায় পড়াশোনার জন্য গিয়ে
বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পরে। পিলখানা হত্যাকান্ডের সময় তারা দু ভাই ঢাকাতেই ছিলেন।
স্থানীয় গ্রামবাসীর নিকট থেকে জানাযায়, হত্যাকান্ডের পরপরই উক্ত মকবুল হোসেন তার বড় ছেলে মাসুম
বিল্লাহকে সাথে নিয়ে চিলমারীতে তার নিজ বাড়িতে চলে আসে। অসর্মর্থিত সূত্রে জানাগেছে, পিলখানা
হত্যাকান্ডের সময় প্রায় ৮০ থেকে ৯০ ভরি লুটের স্বর্ণ ও প্রায় অর্ধকোটি লুটের টাকা নিয়ে তিনি নিজ
বাড়িতে রাতের আঁধারে চলে আসেন এবং পরদিন সকালে তার স্ত্রী ও ছেলে মাসুম বিল্লাহ কে সাথে নিয়ে প্রথমে
উলিপুর উপজেলার উমানন্দ গ্রামে তার শশুড় বাড়িতে যান এবং লুটের স্বর্ণ লুকান ও লুটের টাকা স্ত্রী, পুত্র, ভাই এবং শশুর সমন্ধীয় বিভিন্ন আত্মীয় স্বনের কাছে এবং বিভিন্ন একাউন্ডে ভাগ ভাগ করে নিরাপদে রেখে, পুণরায় পিলখানায় ফিরে যান এবং সেখানে গিয়ে গ্রেফতার হয়ে তিন বছর সাজা ভোগ করেন। সাজার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তিনি জেল থেকে বের হয়েই দুই ছেলেকে অত্যাধুনিক এবং অতি দামী দুটি মটর সাইকেল কিনে দেন। নিজ বাড়ি ঘর পাকা করেন। দামী আসবাব পত্র ক্রয় করেন। জমি ক্রয় করেন এবং চিলমারী উপজেলার থানাহাট বাজারে আড়াই লক্ষ টাকা জামানত দিয়ে দোকান ভাড়া নেন এবং প্রায় দশ লক্ষাধিক টাকা সমমূল্যের মালামাল তুলে একটি বস্ত্রের দোকান দিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। যে পরিবারটি নদী ভাঙ্গা, যে মানুষটি পিলখানা হত্যা কান্ডের জন্য তিন বছর সাজা ভোগ করে শূন্য হাতে বাড়ি ফিরলেন, সেই মানুষটি হঠাৎ করে এতো টাকা কোথায় পেলেন ? সঙ্গতই তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এই গাড়িটি ক্রয়করা মটর সাইকেল নাকি পিলখানারই কারও, তাও স্পষ্ট নয়। কারণ মাসুম বিল্লাহ তার দামী মটর সাইকেলটি অনেক দিন যাবৎ ব্যবহার করলেও মটর সাইকেলটির কোন নাম্বার প্লেট নেই। দিনে রাতে পুলিশের চোখের সামনে ঘুরে বেড়ালেও অজ্ঞাত কারণে পুলিশ তার গাড়িটির ব্যাপারে বরাবরই উদাসীন রয়েছে। যেন দেখেও দেখছেন না। মাসুম বিল্লাহ, মোশারফ হোসেন মুরাদ ও তাদের সাজা প্রাপ্ত পিতা
মকবুল হোসেনের ক্ষমতা ও টাকার উৎস কোথায় তা ক্ষতিয়ে দেখার প্রয়োজন মর্মে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন।
অপরদিকে সারাদেশে অস্বাভাবিক হারে সাংবাদিকসহ মানুষ হত্যা, নির্যাতন, ধর্ষন সহ নানাবিধ পরিস্থিতি
বিরাজ করায় বর্তমানে সাংবাদিক নাজমুল হুদা পারভেজ ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে। স্থানীয়সাংবাদিকরা দ্রুত প্রশাসনের নিকট প্রতিকার ও প্রয়োজীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

About admin

Check Also

শেরপুরের ঐতিহ্য মাইসাহেবা জামে মসজিদ

আলমগীর হোসাইন ময়মনসিংহ বিভাগের শেরপুর জেলা শহরে পা রাখলে প্রথমেই যে পুরোনো ঐতিহ্য চোখে পড়বে …

নাটোরে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

নাটোরের বড়াইগ্রামে মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যা ব। সোমবার ভোর রাতে র্যা …

বেগমগঞ্জে ৪টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার ৪

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার আলাইয়ারপুর ও গোপালপুর ইউনিয়নের পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে ৪ যুবককে গ্রেফতার করেছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *